All News
news

19 May 2026

রাবিপ্রবি’র নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী’র কর্মস্থলে যোগদান

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব কেমিস্ট্রি এর অধ্যাপক এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী মহোদয় আজ ১৮ মে ২০২৬ তারিখ পূর্বাহ্নে রাবিপ্রবি’র কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী মহোদয়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে সকল অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানগণ সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান। অতঃপর ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। 

ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় তাঁর দপ্তরে সকাল ১০:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের চলমান অগ্রগতি বিষয়ে সকল অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে সভাকক্ষে মতবিনিময় করেন।

এসময় ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় এ বিশ্ববিদ্যালয়কে বর্তমান অবস্থানে উন্নীত করার জন্য ইতোপূর্বের সকলের অবদানকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সময়ের চ্যালেঞ্জসমূহ জানতে চাইলে অনুষদের ডিন ও চেয়ারম্যানগণ তাদের স্ব-স্ব অনুষদ ও বিভাগের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন এবং সমস্যা ও করণীয় বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রী হলের প্রভোস্টগণ ও বিভিন্ন পরিচালকবৃন্দ তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বক্তব্য তুলে ধরেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের দাবির বিষয়ে ভিসি মহোদয়কে অবগত করেন। আইকিউএসি, আরআইএমসি এর বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন স্ব-স্ব পরিচালকবৃন্দ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান হিট প্রজেক্টসহ অন্যান্য প্রজেক্ট সম্পর্কে শিক্ষকগণ তাদের কর্মপরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রম বর্ণনা করেন। ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেট সম্পর্কে অবহিত হন। মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরত্বারোপ করেন এবং যথাসময়ে তা সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি বিদ্যুতের সমস্যার সমাধানের জন্য দ্রুত ডেডিকেটেড বিদ্যুৎ লাইন, সাব-স্টেশন স্থাপনের উপর জোর দেন; এছাড়াও ঘাটতি বাজেট পূরণে ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ১৪ মে ২০২৬ তারিখের স্মারক নং- ৩৭.০০.০০০০.০৭৬.১১.০০৩.২২.৮১ মোতাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর-এঁর অনুমোদনক্রমে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ধারা ১০ (১) অনুযায়ী রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার (০৪) বছরের জন্য এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।  

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী জাপান সরকারের স্বনামধন্য মনবুশো স্কলারশিপ নিয়ে Kyoto University থেকে ২০০৮ সালে পোস্ট ডক্টরাল এবং Osaka University থেকে ২০০৩ সালে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ১৯৯২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর এবং ১৯৯০ সালে স্নাতক কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি জাপানের Osaka University তে টিচিং অ্যাসিসটেন্ট এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, চিটাগং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন এবং ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সায়েন্সেস ও বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কাউন্সিল, প্ল্যানিং কমিটি, সিলেকশন কমিটি, হল প্রভোস্ট এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেকশন কমিটিতে এক্সপার্ট মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রিভিউ কমিটির এক্সপার্ট মেম্বার হিসেবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘ভৌত বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা অনুদান’ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের ‘একাডেমিক ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (এটিএফ)’ গবেষণা প্রকল্প পর্যালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি বিশ্ববিখ্যাত Elsevier, South African Chemical Society এবং American Chemical Society সহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি বৈজ্ঞানিক জার্নালের রিভিউয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক জার্নালে তাঁর অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং ১২ টির অধিক কনফারেন্স ও সেমিনারে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), ভারতের সেন্ট পিটার্স ইউনিভার্সিটি, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব গুজরাট; হংকং ইউনিভার্সিটি; জাপানের Seikei University, Konan University, Saitama University, Tsukuba Research Center; হাঙ্গেরির Veszprem University কর্তৃক আয়োজিত কনফারেন্স ও সেমিনারে যোগদান করেন। তিনি বাংলাদেশ কেমিক্যাল সোসাইটি ও আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির আজীবন সদস্য হিসেবে আছেন।

news

13 May 2026

রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের "বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ” শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় অংশগ্রহণ

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান আজ ১২ মে ২০২৬খ্রি. তারিখে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও টেকসই করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক আয়োজিত "বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ (Transforming Higher Education in Bangladesh: Roadmap to Sustainable Excellence)" শীর্ষক একটি জাতীয় কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহোদয় সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, ইউজিসি’র সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, নীতি নির্ধারক, সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, গবেষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব মাহদী আমিন বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব আব্দুল খালেক গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি’র মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ।

উদ্বোধনী পর্বের পর পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেসব অধিবেশনে "গ্রাজুয়েটদের কর্মসংযোগযোগ্যতা, সফট স্কিল উন্নয়ন ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা; ইন্ড্রাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা; ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজন; শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণায় উৎকর্ষ সাধন এবং আন্তর্জাতিকীকরণ; গভর্ন্যন্স, শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

news

11 May 2026

রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান মহোদয়ের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে আজ ১০ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জুরুরি সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনা এবং সামগ্রিক অভিযোগ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। যা নিম্নরূপ-

আসসালামু আলাইকুম ও শুভ অপরাহ্ন

আশা করছি সবাই ভালো আছেন। রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার যোগদানের ঠিক এক বছর চার মাস পূর্তিতে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন। সবাইকে সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর যে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছিলাম, আজ সেটি কেমন করে পূর্ণতার দিকে ধাবিত হচ্ছে, তা বিচার করার ভার আপনাদের ওপর অর্পণ করার মধ্য দিয়ে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং সামগ্রিক অভিযোগ বিষয়ে যে বিষয়গুলো উল্লেখ করা প্রয়োজন, সেগুলো হলো—

বিশ্ববিদ্যালয় হলো নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণের সুতিকাগার, যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতাও নতুন জ্ঞান তৈরির অনুসঙ্গ হিসেবে কাজ করতে পারে। ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পারস্পরিক শেয়ার করার সুযোগ সে প্রক্রিয়াকে অর্থবহ করে তোলে। কিন্তু সে শেয়ারিংয়ের পরিবর্তে অন্যায্য উপায়ে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে গোষ্ঠীস্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়কে অশান্ত করা কোনো অবস্থাতেই বিদ্যায়তনের সর্বোচ্চ পাদপীঠের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

আমরা লক্ষ্য করেছি, বিগত ৫ মে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে দাবি আদায়ের জন্য এমন সব বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে, যেসব বিষয় আদৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পর্ষদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়নি এবং উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে তাঁর কার্যালয়ে তালা দেওয়ার মতো অছাত্রসুলভ কাজ করা হয়েছে রাজনৈতিক দলের ব্যানারে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ থাকার নীতিগত সিদ্ধান্ত এখনো বহাল আছে। সঙ্গত কারণে এ জাতীয় কর্মকাণ্ড সুস্পষ্টভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনার দাবি রাখে।

আমাদের নিকট দাবি সংবলিত কোনো ডকুমেন্ট পেশ না করা হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত সংবাদ থেকে যতটা জেনেছি, সেটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী পুনর্বাসনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অগ্রহণযোগ্য অভিযোগ। কারণ, আমার সময়েই বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের ছাত্রসংগঠনের প্রায় দশজন ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন করার অপরাধে নানা মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয় । কিন্তু এমন বাস্তবতায় এ অভিযোগ করা হলো, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালককে নানামাত্রিক অভিযোগে তাঁর সমস্ত দায়দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে সাময়িকভাবে প্রকল্প পরিচালনার জন্য একটি আপৎকালীন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ড. নিখিল চাকমাকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি মৌলিক বিবেচনা হয়ে থাকলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক তিনি কীভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ছয় মাস বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসক হিসেবে কাজ করেছেন? তিনি যথারীতি ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন দীর্ঘদিন ধরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিট প্রকল্পের এসপিএম হিসেবে কাজ করছেন। এতসব দায়িত্বে যিনি আছেন, তাঁর বিষয়ে এ যাবৎ কোনো অভিযোগ জমা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রত্যক্ষণ/অডিট আপত্তি বিষয়ে যে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে, তা রীতিমতো হাস্যকর। প্রথমত, এটি ছাত্রদের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। দ্বিতীয়ত, মঞ্জুরি কমিশনের প্রত্যক্ষণ অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়, যার সঙ্গে দুর্নীতির সরলরৈখিক সম্পর্ক তৈরি করাটা না জানার কারণেই হয়ে থাকবে। উপরন্তু, এ জাতীয় অডিট আপত্তি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই নিষ্পন্ন হয়। কোনো কোনো বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজারেরও বেশি অবজারভেশন রয়েছে। মোদ্দাকথা হলো, এ প্রত্যক্ষণ বিষয়ে ইতোমধ্যেই মঞ্জুরি কমিশনকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আরও দুঃখজনক, এ জাতীয় ডকুমেন্ট যাদের কাছে থাকার কথা নয়, তারা তা সংগ্রহ করেছে অসৎ উদ্দেশ্যে সেটি সহজেই অনুমেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ/পদোন্নতি কোনো একক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে সম্পন্ন হয় না। সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যেই হয়ে থাকে, যা ইতিপূর্বে তথ্যপ্রমাণসহ আমাদের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে। দুঃখজনক হলো, নিয়োগের অনিয়ম হিসেবে যে ডকুমেন্ট প্রচার করা হচ্ছে, তা আদৌ নিয়োগ প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ডকুমেন্ট কি না, অভিযোগকারীরা যাচাই না করেই জনসম্মুখে প্রকাশ করে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্ত, তেমনি তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপনীয় তথ্য পাচারকারীদের সম্পর্কও সুস্পষ্ট। সবার জ্ঞাতার্থে এতটুকু জানাতে চাই যে, এ যাবৎ যত নিয়োগ হয়েছে, সেসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি মহোদয়গণ ইতিপূর্বে একাধিকবার নিয়োগ বিষয়ের স্বচ্ছতা ও পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে তাঁদের চরম সন্তুষ্টি ও পরিতৃপ্তির কথা প্রকাশ করেছেন। নিয়োগ বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক মতের সংশ্লিষ্টতাকে সামনে এনে তারা আবারও ‘৩৬ জুলাই’-এর পূর্বের ট্যাগিং/ফ্রেমিংয়ের রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চায় বলে মনে হলে আপত্তির কিছু থাকবে না হয়তো। ফ্যাসিবাদ লালন না করলে যোগ্যতাই হবে নিয়োগের মানদণ্ড; সেক্ষেত্রে আপত্তি করাটাও আপত্তিকর।

আপনারা জানেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৪-১৫ সেশনে ছাত্র ভর্তির মাধ্যমে। আমি যোগদানের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ছিলেন মাত্র ১৯/২০ জন। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দীর্ঘ একাডেমিক ব্যাকলগ ও সেশনজট তৈরি হয়েছিল। পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা ছিল মাত্র দুজন। বিজ্ঞাপন দিয়েও শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। অথচ আমার এক বছরে প্রায় দশজন বিদেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারীসহ ২৯ জন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পেরেছি। সেশনজট শূন্যে আনার চেষ্টা চলমান। যে শিক্ষকের জিপিএ ০.০১ কমানো হয়েছে, তা নিয়ম মেনেই করা হয়েছে। কারণ, তিনি পিএইচডি ডিগ্রিধারী হওয়া সত্ত্বেও লেকচারার হিসেবে যোগ দিয়ে মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসোর্স বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছেন। আজ যদি এসব শিক্ষক অপমান, ট্যাগিং বা ফ্রেমিংয়ের শিকার হন, তাহলে এ বিশ্ববিদ্যালয় আবারও দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকিতে পড়বে। কারণ, অসম্মানের মধ্যে কেউই স্বস্তিবোধ করবেন না। বলা ভালো, এখানে যোগদানের পরও কারও কারও অন্যত্র সুযোগ থাকা সত্ত্বেও উপাচার্যের অনুরোধে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে কাজ করতে থেকে যেতে রাজি হয়েছেন।

সুপ্রিয় সুহৃদ বন্ধুগণ,

পাহাড় আর সবুজের সম্মিলনে মনোরম লেকের কোলঘেঁষে যে বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্ন ছুঁয়ে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে, তা এই দীর্ঘ বছরে যেমন গুটিকয়েক মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার দোলাচলে পড়ে তার যৌবনে পৌঁছাতে পারেনি, ঠিক তেমনি আজও সেরকম গুটিকয়েক ছাত্রের কমফোর্ট জোন নষ্ট হওয়ার কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রত্যাশিত রূপ পরিগ্রহ করার প্রয়াসে ব্যর্থ হতে চলেছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যদি বলি কী হয়নি এক বছরে; ১২/১৩ বছরে শুরু না হওয়া প্রকল্পের আওতায় একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ছাত্র-ছাত্রী হল, মেইন গেট, রাস্তাঘাট, দুটি ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, শিক্ষক নিয়োগ, সেশনজট দূরীকরণ, ক্যানটিন চালু ও মান বৃদ্ধি, পরিবহন পুল, নতুন বাস ক্রয় (প্রগতির পুলে নির্মাণাধীন), ডিনস অ্যাওয়ার্ড চালু, দুটি বড় কনফারেন্স, কনফারেন্স রুম, ছাত্র-ছাত্রী সবার নামাজের জায়গা, কানেক্টিং ব্রিজ, গেস্ট হাউস চালু, দীর্ঘদিন পেন্ডিং থাকা কর্মকর্তাদের আপগ্রেডেশন, বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম চালু, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট পুনর্নির্মাণ, মনুমেন্ট, রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার তৈরি ইত্যাদি। এতদসত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তার বহিষ্কার নিয়ে আন্দোলনকারী ছাত্রদের যে বিশেষ মনোযোগ এবং প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে দেখেছি, তাতে বিষয়টি সামগ্রিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কি না, সেটি খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মনে করি।

বন্ধুরা,

আপনাদের লেখনীই পারে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে সকল স্টেকহোল্ডারের আস্থা ফিরিয়ে আনতে। সুতরাং জনগণের করের টাকায় পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা যখন তখন তালা ঝুলাবে, সেটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা আশা করি, সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা থেকে আপনাদের সামনে যে কনটেন্ট তুলে ধরা হলো, তার পরিপূর্ণ প্রতিফলন ঘটবে আপনাদের কলমের মাধ্যমে। চলমান থাকবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বগতি। ধন্যবাদ সবাইকে।

পরিশেষে উপরোক্ত উপস্থাপিত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর সকলের প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর প্রদান করেন। তিনি এ জরুরি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার জন্য সাংবাদিকবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

news

10 May 2026

রাবিপ্রবি এবং পার্কভিউ হাসপিটাল লি. এর সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেড এর মধ্যে আজ ০৭ মে ২০২৬খ্রি. তারিখে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সমঝোতা স্মারকে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং পার্কভিউ হসপিটাল লি. এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন হসপিটালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. এ.টি.এম. রেজাউল করিম।

এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবার (স্বামী, স্ত্রী, সন্তান, বাবা ও মা) ছাড়কৃত মূল্যে চট্টগ্রামে অবস্থিত পার্কভিউ হসপিটালে মেডিকেল সেবা গ্রহণ করতে পারবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্যাথলজী বিভাগে সেবার জন্য ৩৫%, এক্স-রে, ‍সিটিস্ক্যান, এমআরআই, ইসিজি, আলট্রাসনোগ্রাম, ইকো ও ইটিটি মেডিকেল সেবার জন্য ২৫% এবং হসপিটালে ভর্তি থাকাকালীন ৭০% ছাড়ে মেডিকেল সেবা প্রদান করবে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রত্যয়নপত্র ও আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বলেন, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুপক্ষই উপকৃত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবে। এমন সুযোগ আমাদের আগে ছিল না। তিনি এ আয়োজনের জন্য প্রশাসন শাখাসহ যারা জড়িত ছিলেন তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এ সভায় পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেডের পক্ষ থেকে পার্কভিউ হসপিটালের অবকাঠামো, কার্যক্রম, ইকুইপমেন্ট সুযোগ সুবিধা ও চিকিৎসার পরিবেশসহ ডাক্তার, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ানদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার কথা তুলে ধরা হয় এবং রাবিপ্রবি’র পক্ষ থেকে রাবিপ্রবি’র শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের তথ্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানগণ সহ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পার্কভিউ হসপিটাল লি. এর ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস ডিরেক্টর ডা. মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, কমপ্লায়েন্স ডিরেক্টর ডা. সালাউদ্দিন এম.এইচ. চৌধুরী, মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আহমেদ রহিম, মার্কেটিং ম্যানেজার জনাব মোঃ জাহেদুল ইসলাম এবং এসিসট্যান্ট ম্যানেজার নিজাম উদ্দিন হসপিটালের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সমঝোতা স্মারক আগামী ২ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং পরবর্তীতে উভয়ের সম্মতিক্রমে মেয়াদ নবায়ণ করা যাবে।

news

05 May 2026

রাবিপ্রবি’তে BNQF & OBE Curriculum শীর্ষক দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘Bangladesh National Qualifications Framework (BNQF) & Outcome-Based Education (OBE) Curriculum’ শীর্ষক দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ আজ ০৪ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ সোমবার সকাল ০৯:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন।

দুই দিনব্যাপী আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণে রাবিপ্রবি’র ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চিটাগং (ইউএসটিসি) এর আইকিউএস ‘র অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) ড. শুভ্র প্রকাশ দত্ত এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বলেন এ প্রশিক্ষণ আউটকাম বেইজড কারিকুলাম প্রনয়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের জন্য জ্ঞান দক্ষতা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বিকল্প নেই, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে দেশ-বিদেশের ইন্ড্রাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। এর জন্য OBE framework ও Bloom's Taxonomy অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য আউটকাম বেইজড কারিকুলাম প্রনয়ণ করার আহবান জানান। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান প্রদান করে দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরি জন্য শিক্ষকবৃন্দকে উৎসাহিত করেন। তিনি সকল প্রশিক্ষক ও অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষক এবং আইকিউএসি সেলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরিশেষে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষককে সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণকে Outcome Based Education (OBE) Curriculum Design প্রণয়নের জন্য গ্রুপে ভাগ করা হয়। প্রশিক্ষণে OBE ফ্রেমওয়ার্ক ও প্রক্রিয়া, International Standard Classification of Education (ISCED) অনুসরণ করে কোর্স কোড প্রদান, কোর্স প্লানিং ও কনটেন্ট তৈরি, কোর্স ডেলিভারি, কোর্স আউটলাইন ও লেভেল অ্যাসেসমেন্ট, টিচিং-লার্নিং অ্যাসেসমেন্ট (TLA), কোর্স লার্নিং আউটকাম (CLO), প্রোগ্রাম লার্নিং আউটকাম (PLA) অ্যাসেসমেন্ট প্রক্রিয়া এবং OBE Curriculum এর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জব মার্কেট ও ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুসারে কোর্স নির্বাচন ও স্টেকহোল্ডারদের ফিডব্যাক গ্রহণ; গ্র্যাজু্য়েশন শেষে শিক্ষার্থীদের চাকরি ও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার হার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশনের উপর ভিত্তি করে যুগোপযোগী কারিকুলাম OBE Curriculum প্রণয়ন ও ক্রমাগত পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোকপাত করেন। অঞ্চলভিত্তিক কোর্স ও কোর্স কনটেন্ট চাহিদার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন ২০১৭ এবং Bangladesh National Qualifications Framework (BNQF) ২০২১ অনুসরণ করে OBE Curriculum ডিজাইন করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, সকল অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিম মাহমুদ এবং আইকিউএসি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) জনাব মাহবুব আরা উপস্থিত ছিলেন।

news

04 May 2026

রাবিপ্রবি’তে BNQF & OBE Curriculum শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘Bangladesh National Qualifications Framework (BNQF) & Outcome-Based Education (OBE) Curriculum’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ আজ ০৩ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার সকাল ০৯:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে শুরু হয়। উক্ত প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি বিভাগ যথা: কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। প্রথম দিনের প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের পরিচালক (কিউএ এন্ড এনকিউএফ) প্রফেসর মোহাম্মদ তাজিব উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেইন প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর তাঁর বক্তব্যে বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ খুব শীঘ্রই OBE Curriculum এর আওতায় আসবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন দেশ-বিদেশের জব মার্কেটে প্রতিযোগিতায় তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রদর্শন করে টিকে থাকতে পারে এবং সুনাম বয়ে আনতে পারে এমন মনোভাব নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে এবং কারিকুলামকে যুগোপযোগী রাখতে হবে। এ প্রশিক্ষণ এ প্রক্রিয়ারই অংশ। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দক্ষতা ও পারফরমেন্স বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকরা OBE কারিকুলাম প্রণয়ন করে শিক্ষার্থীদেরকে তৈরি করা; নেতৃত্ব প্রদানের ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা অর্জন করার অনুপ্রেরণা প্রদান করা এবং সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচিত ও স্বীকৃতির জন্য কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে কাজ করার আহবান জানান।

প্রশিক্ষণের প্রথম সেশনে প্রফেসর মোহাম্মদ তাজিব উদ্দিন Bangladesh National Qualifications Framework (BNQF) এর ইতিহাস ও কাঠামোগত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানে BNQF বাস্তবায়নের সুফল, OBE Curriculum, গুণগতমান নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের গতিশীলতা সহজীকরণ, কর্মসংস্থানযোগ্যতা বৃদ্ধি, আজীবন শিক্ষার প্রসার, স্বচ্ছতা ও স্বীকৃতিকে উৎসাহিতকরণ, পারস্পরিক সহযোগিতা আদান-প্রদান, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম প্রণয়নে নির্দেশনা প্রদান বিষয়ে আলোকপাত করেন। এছাড়া তিনি ১৯৫৬ সালে Benjamin Bloom কর্তৃক প্রণীত Bloom’s Taxonomy সম্পর্কিত কাঠামো তুলে ধরেন। এটি শেখা (learning) ও চিন্তাশক্তির স্তরভিত্তিক একটি কাঠামো, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন থেকে শুরু করে উচ্চতর মানের বিশ্লেষণ ও সৃজনশীলতায় পৌঁছানোর ধাপগুলো ব্যাখ্যা করে থাকে যা পাঠ পরিকল্পনা, প্রশ্ন তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে সাহায্য করে; এবং এটি নিম্নস্তরের জ্ঞান থেকে উচ্চস্তরের চিন্তায় উন্নীত হওয়ার একটি পরিষ্কার পথ নির্দেশ করে থাকে। এবিষয়গুলো তিনি বাস্তবতার আলোকে তুলে ধরেন।

পরবর্তী সেশনে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেইন Quality Assurance in Higher Education Institution বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে (জাতীয়, প্রাতিষ্ঠানিক বা কার্যক্রম) গুণগত মান মূল্যায়ন, আউটকাম বেইজড এডুকেশন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল রপ্ত করা এবং শিক্ষার্থীদেরকে এমপ্লয়াবিলিটি স্কিল বৃদ্ধি করার বিষয়ে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ালিটি ও কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স এর আওতায় ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স নিশ্চিত করার লক্ষ্যে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিতভাবে তাত্ত্বিক আলোচনা উপস্থাপন করেন। এটি এমন একটি পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শিক্ষা, গবেষণা, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং সেবার মান নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী বজায় রাখে ও তা সময়ের প্রেক্ষিতে উন্নত করে থাকে। অর্থ্যাৎ শিক্ষার্থীরা যে শিক্ষা পাচ্ছে তা মানসম্মত, প্রাসঙ্গিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কিনা তা নিশ্চিত করার পদ্ধতিগত দিকের বর্ণনা তুলে ধরেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে দেশের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কারিকুলাম প্রণয়ন এর ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল BNQF এর কাঠামো, লেভেল ডেসক্রিপ্টর, দক্ষতা মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং কারিকুলাম উন্নয়ন সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদেরকে সম্যক ধারণা প্রদান করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তবধর্মী জ্ঞান অর্জনে সহায়ক হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো মানসম্মত ও দক্ষতাভিত্তিক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এমন দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। BNQF অনুযায়ী OBE কারিকুলাম প্রবর্তনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন ও বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনকিউএফ-এর বিধানাবলীর সাথে সঙ্গতি রেখে উচ্চশিক্ষার সমসাময়িক সর্বোত্তম জ্ঞান বিনিময়, শিক্ষকগণের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকসই ও গুণগত শিক্ষা সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য দুই দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, সকল অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.  তানজিম মাহমুদ এবং আইকিউএসি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) জনাব মাহবুব আরা উপস্থিত ছিলেন।

news

29 Apr 2026

রাবিপ্রবি’তে ‘Public Procurement and Audit’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে ‘Public Procurement and Audit’ বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ আজ ২৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ সোমবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) হিসাব দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান।

উক্ত প্রশিক্ষণে সভাপতি হিসেবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। তিনি প্রশিক্ষককে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পেশাগত জীবনে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে; আমরা প্রথম থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করে আসছি। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ হতে হবে অংশীদারিত্বমূলক। তিনি প্রশিক্ষণের আগে ও পরে যেন প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে মানসিক ও পারসেপশনের (ধারণা) ইতিবাচক পরিবর্তন আসে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং তার মূল্যায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এই প্রশিক্ষণ থেকে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রক্রিয়া ও ম্যানেজমেন্ট এবং অডিট নীতিমালা সম্পর্কে আরো স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হবে। এই প্রশিক্ষণ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান যদি কর্মক্ষেত্রে প্রতিফলিত হয়, তাহলে আজকের এই প্রশিক্ষণ সার্থক হবে। তিনি আইকিউএসি’র মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তাদের জন্য আরো প্রশিক্ষণ এর আয়োজন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ আয়োজনের জন্য আইকিউএসি সেলকে ধন্যবাদ প্রদান করেন।

উক্ত প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষক নোবিপ্রবি’র হিসাব দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বাংলাদেশে বিদ্যমান পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধানাবলী, আভ্যন্তরীণ ও সরকারি অডিট এবং ভ্যাট-ট্যাক্স সংক্রান্ত তাত্ত্বিক-প্রায়োগিক বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং স্বীয় অভিজ্ঞতার আলোকে বাস্তব পরিস্থিতির ব্যাখ্যা ও সংকট মোকাবেলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরিশেষে প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন ধরনের রাজস্ব-উন্নয়ন বাজেটের ক্রয়, বিভিন্ন টেন্ডার পদ্ধতি, অডিট, পারিতোষিক বিল, স্টোর ম্যানেজমেন্ট, যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অধিকাল ভাতা, দায়িত্ব ভাতা, টিএ/ডিএ, ছুটি নীতিমালা, বিদেশে সভা/সেমিনারের ভাতা এবং ভ্যাট-ট্যাক্স সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।


সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিম মাহমুদ এবং আইকিউএসি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) জনাব মাহবুব আরা উপস্থিত ছিলেন।

news

26 Apr 2026

রাবিপ্রবি’তে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬ উদযাপিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ২৬ এপ্রিল ২০২৬খ্রি. তারিখে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬ ( World Intellectual Property Day) উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ বছর বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: “IP and Sports: Ready, Set, Innovate” ।

সকাল ৯:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ১ এর সভাকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। সভার সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির। সভায় বক্তব্য রাখেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন; কী-নোট উপস্থাপন করেন ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) ড. মোঃ আবু তালেব এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) ড. তানজিম মাহমুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, সৃষ্টিশীলতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রেখে আমাদেরকেও এগিয়ে যেতে হবে। আজকে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬, এ আয়োজনের একটাই উদ্দেশ্য আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-গবেষকগণকে মৌলিক গবেষণায় উদ্বুদ্ধ এবং সেইসাথে গবেষণাগুলোর মেধাস্বত্ব অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। যা দেশের অগ্রগতি, উন্নয়ন ও আর্থিক নিরাপত্তাসহ দেশের মেধা-সম্মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ও ঐতিহ্যিক উপকরণ আছে যার পেটেন্ট এখনো হয়নি যা হওয়া খুবই জরুরী। আজকের এ আলোচনা আমাদেরকে এ বিষয়ে সচেতন করে তুলবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্বাগত বক্তব্যে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন বলেন, মেধাস্বত্ব অধিকার (Intellectual Property Rights) সুরক্ষা উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং সৃজনশীল শিল্পকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি প্রযুক্তি, সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, খেলাধূলা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সৃষ্টিশীল গবেষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। খেলাধূলার মৌলিকত্বের বিষয়ে গবেষণা ও সারা বিশ্বে এর মিলিয়ন-বিলিয়ন অধিক ব্যবসার কথাও তুলে ধরেন।

কী-নোট স্পিকার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের নাগরিকদের সৃজনশীল মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, বাংলাদেশের কপিরাইট আইন, পেটেন্ট, পেটেন্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা, পেটেন্ট নিবন্ধন প্রক্রিয়া, কপিরাইট আইন প্রয়োগ ও সীমাবদ্ধতা, ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অরগানাইজেশন সম্পর্কে এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় করণীয় ও সচেতনতা তৈরিতে ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস’ উদযাপনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার জন্য এবং দেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য পার্টনারশিপের মাধ্যমে মেধাস্বত্বের আদান-প্রদানের জন্য আইনগত কাঠামো তৈরি করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মেধাস্বত্বের গুরুত্ব, কপিরাইট, পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন এবং ডিজিটাল এ যুগে সৃজনশীল কাজের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি কী-নোট স্পিকারকে এবিষয়ে বিশদ আলোচনার জন্য ধন্যবাদ প্রদান করেন এবং এ আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য যে, প্রতি বছর ২৬ এপ্রিল তারিখে World Intellectual Property Organization (WIPO)- এর উদ্যোগে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস (World IP Day) উদযাপিত হয়ে থাকে। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (WIPO) হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। এটি বিশ্বব্যাপী মেধাস্বত্ব (IP)- যেমন পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক এবং কপিরাইট- এর সুরক্ষাকে উৎসাহিত করে এবং পেটেন্ট কো-অপারেশন ট্রিটি (PCT)- এর মতো পরিষেবার মাধ্যমে উদ্ভাবক, নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদেরকে তাদের ধারণা সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে ।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

news

08 Apr 2026

রাবিপ্রবি ও মালয়েশিয়ার ‘ইউএমটি’ এর মধ্যে অভিপ্রায় পত্র (Letter of Intent) স্বাক্ষর

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং Universiti Malaysia Terengganu (UMT)-এর মধ্যে আজ ৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. তারিখে একটি অভিপ্রায় পত্র (Letter of Intent-LOI) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সমঝোতা স্মারকে রাবিপ্রবি’র পক্ষে স্বাক্ষর করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও এগ্রিকালচারাল এন্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং ইউএমটির পক্ষে স্মারকে স্বাক্ষর করেন ফিশারিজ ও একুয়াকালচার সায়েন্স অনুষদের ডীন ড. নাজিয়া বিনতে মুসা।

রাবিপ্রবি’র পক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ এজাজুল ইসলাম এবং ইউএমটি’র পক্ষে সমন্বয় করেন সিনিয়র প্রভাষক ড. হাসান ইব্রাহিম শেখ। এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির ও ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী, সকল শিক্ষক এবং ইউএমটি’র টেলেন্ট এন্ড রির্সাচ এর ডেপুটি ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর ড. ওয়ান মোঃ রাওহান বিন ওয়ান হুসিন, সিনিয়র লেকচারার ড. হাসান ইব্রাহীম শেখ ও সিনিয়র লেকচারার ড. আহসান হাবীব।

এই চুক্তির আওতায় রাবিপ্রবি’র ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা আগামী বছর থেকে মালয়েশিয়ার ইউএমটি’তে একমাসের ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবে। এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে রাবিপ্রবি’র এগ্রিকালচারাল এন্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদ এবং ইউএমটি’র এগ্রিকালচারাল এন্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা যৌথভাবে গবেষণা পরিচালনা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশনা; সেমিনার আয়োজন, একাডেমিক তত্ত্বাবধান (সুপারভিশন); শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) এবং পারস্পরিক সম্মতিক্রমে অন্য যেকোনো একাডেমিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে পারবে। এ সমঝোতা স্মারক আগামী ২ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং পরবর্তীতে উভয়ের সম্মতিক্রমে এ মেয়াদ নবায়ন করা যাবে।

news

06 Apr 2026

ইউজিসি’র মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর মাননীয় চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ মহোদয়ের সাথে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান সাক্ষাৎ করেন।

আজ ০৫/৪/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকেল ৩:৩০ ঘটিকায় তিনি ইউজিসি’তে তাঁর অফিসে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-প্রশাসনিক, উন্নয়নমূলক ও গবেষণা কার্যক্রমসহ সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন ; এসময় তিনি নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মহোদয়কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি উপহার প্রদান করেন।

news

06 Apr 2026

রাবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান/ ইঞ্জিনিয়ারিং) জিএসটি গুচ্ছভুক্ত B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ 03 এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. রোজ শুক্রবার সকাল ১১.০০ টা থেকে ১২.০০ টা পর্যন্ত রাবিপ্রবি’র কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১, একাডেমিক ভবন-২, ভোয়াল্ল্যা ও মোনঘর কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বমোট ১৯৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে 1195 জন উপস্থিত এবং 764 জন অনুপস্থিত ছিলেন; উপস্থিতির হার 63.93%।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান কেন্দ্রের কক্ষসমূহ পরিদর্শন করেন। এ সময় রাবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও জিএসটি B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির ফোকাল পয়েন্ট জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, রাবিপ্রবি জিএসটি পরীক্ষার কো-অর্ডিনেটর ও সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ড. তৌহিদুল আলম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন এবং ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রক্টর ড.মোঃ ফখরুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় দায়িত্বরত প্রধান প্রত্যবেক্ষক, প্রত্যবেক্ষক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাসহ ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম তদারকি করেন।

মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় আজ অনুষ্ঠিত গুচ্ছভুক্ত B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা রাবিপ্রবি সহ তিনটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি, আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা কমিটির তৎপরতা এবং পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের তথ্য ও সেবা প্রদান বেশ গোছালো থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আজকের এ ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি বিগত বছরগলোর তুলনায় সব ইউনিটেই বেশি, পরীক্ষার পরিবেশও চমৎকার, দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যবেক্ষকগণ আন্তরিকতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। আমরা আশা করি অত্যন্ত সাবলীলভাবে ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। নতুন বছরের জন্য আমরা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পাবো। নতুন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাতিয়ে রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয় সর্ম্পকে তিনি অভিভাবকদের বলেন, বর্তমানে রাবিপ্রবি’তে সেশনজট শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে পেরেছি; শিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। যে স্থাপনাগুলো নির্মিত হচ্ছে তা দ্রুতই সম্পন্ন হবে এবং তা শুধু আমাদের অবকাঠামোগত প্রয়োজন মেটাবে না এর নান্দনিকতা-স্থাপত্যশৈলী সবমিলিয়ে একটি ক্লাসিক এনভায়রনমেন্ট তৈরির লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। রাবিপ্রবি’তে চমৎকার একটা পরিবেশ রয়েছে যেখানে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর লেভেল একদম কম, লেক-পাহাড়-বন আছে, ছাত্র বান্ধব পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের নানারকম ক্লাব আছে সবমিলিয়ে আমরা মনে করছি - এ বিশ্ববিদ্যালয় আগামীর সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রথম দিককার পছন্দের একটি বিশ্ববিদ্যালয় হবে।

B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সার্জন অফিস, পৌরসভা প্রশাসন, পরিবহন মালিক সমিতি, হোটেল মালিক সমিতি, সিএনজি মালিক-শ্রমিক সমিতি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ সকল অংশীজনদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সর্বোপরি তিনি দূর-দূরান্ত থেকে আগত পরীক্ষার্থীদের ও অভিভাবকদের রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানান।

উল্লেখ্য যে, জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দেশব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১০ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. তারিখে A ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

news

01 Apr 2026

রাবিপ্রবি ভাইস চ্যান্সেলর ও শিক্ষকদের ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত FORSU Project এর সমাপনী কর্মশালায় অংশগ্রহণ

ভিয়েতনামের Thai Nguyen University of Agriculture and Forestry (TUAF) এ বিগত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত “Forest Landscape Restoration and Sustainable Livelihoods in Bangladesh and Vietnam (FORSU)” শীর্ষক প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেছেন।

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আতিয়ার রহমান, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক  ড. নিখিল চাকমা, সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সপ্তর্ষি চাকমা অংশগ্রহণ করেন। 

তিন বছর মেয়াদী FORSU শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের বনভূমি পুনরুদ্ধার ও টেকসই জীবিকা অন্বেষণের জন্য গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা- বাংলাদেশ, ফিনল্যান্ড, জার্মানি এবং ভিয়েতনামের সকল প্রকল্প অংশীদারদের অংশগ্রহণে উদ্বোধন করা হয় এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, University of Freiburg, University of Helsinki, Hue University, Thai Nguyen University of Agriculture and Forestry ও Tay Nguyen University।

ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের FORSU শীর্ষক প্রকল্পের সমন্বয়ক জনাব দীপজয় চাকমা সকালের অধিবেশনের কর্মসূচি তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরির জন্য অংশগ্রহণকারীদের দুটি দলে বিভক্ত করেন। ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশী অংশীদারদের সহায়তা প্রদান করে, অপরদিকে হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয় ভিয়েতনামী অংশীদারদের প্রকল্প ফলাফল কাঠামোর আলোকে প্রতিবেদন তৈরি এবং মূল অর্জনগুলো পর্যালোচনায় সহায়তা প্রদান করে। দলগতভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনার পরবর্তীতে, হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা দলের অধ্যাপক এডওয়ার্ড ওয়েভ FORSU শীর্ষক প্রকল্পের ফলাফল কাঠামো উপস্থাপন করেন এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রকল্প প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দিয়ে আলোচনা করেন। কর্মশালার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা থাই নিগুয়েন ক্লাইমেট লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন, যেখানে তারা বন পুনরুদ্ধার, বাঁশ বাগান, ঔষধি গাছ এবং বাড়ির বাগান উন্নয়নসহ বিভিন্ন জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়াও অংশগ্রহণকারীরা পর্যটনের জন্য ফ্লেমিংগো নামে পরিচিত একটি কৃত্রিম হ্রদ ও রিসোর্ট এবং একটি জৈব চা বাগানও পরিদর্শন করেন। বিশ্ববিখ্যাত পর্যটন গ্রাম থাই হাই গ্রামের বিশ্বখ্যাত পর্যটন গ্রাম পরিদর্শনের মাধ্যমে এই ফিল্ড ট্যুর সম্পন্ন হয়।